নবীনগর সরকারি হাসপাতাল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের ও দুর্নীতির অভিযোগ

নবীনগর সরকারি হাসপাতাল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের ও দুর্নীতির অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর সরকারি হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এই বিষয়ে জানা যায় নবীনগরের প্রত্যেকটা সাধারণ মানুষের নবীনগর সরকারি হাসপাতাল চলছে লুটতরাজ বিশাল সমুদ্র ডাকাতির মতো ঘটনা আমরা সাধারন মানুষ বুঝার মত না কিন্তু আসলেই লুটতরাজ ও সমুদ্র ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটছে(১) ডাক্তার হাবিবুর রহমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যার নেতৃত্বে ঘটছে নবীনগর সরকারি হাসপাতালের লুটতরাজ প্রত্যেকটি সেক্টর তার কাছে জিম্মি হয়ে আছেন যে কেউ মুখ খোলে তাকে সাথে সাথে এইখান থেকে বদলি করে দেওয়া হয়। এই যে কিছুদিন পূর্বে সরকারি হসপিটালের এক নার্স তার বিরুদ্ধে কথা বলাতে তাকে সাথে সাথে বদলি করানো হয়েছে। হাবিবুর রহমানের ছত্রছায়ায় ছত্রছায়ায়, মারজান ওয়ার্ড বয় যার দাপটে সরকারি হাসপাতালে প্রত্যেকটা সেক্টর জিম্মি হয়ে আছে, কারণ তার মামা সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার শাহ আলম সাহেবের ভাগিনা, আর ডাক্তার হাবিবুর রহমান ঘনিষ্ঠজন তাই হাসপাতালে প্রত্যেকটা সেক্টরে দুর্নীতির সাথে জড়িত চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে কেউ কিছু বলার নেই। কিছু বলতে গেলেই আপনাকে বদলি হতে হবে বান্দরবান তাই ভয়ে কোন কর্মচারী-কর্মকর্তা কিছুই বলেনি(৩) ডাক্তার হাবিবুর রহমানের ছত্রছায়ায়, রোমান এম্বুলেন্স ড্রাইভার যদিও সে ড্রাইভার কিন্তু তার নিয়ন্ত্রণে সরকারি হাসপাতালে ইমারজেন্সি ও সরকারি হাসপাতালে দুইটি এম্বুলেন্স থাকলেও কাগজে পত্রে সচল একটি অ্যাম্বুলেন্স দেখানো হয়। রাতের আধারে কুমিল্লা ভাড়া কমপক্ষে ৫ হাজার টাকার নিচে যাওয়া হয়না।
কুমিল্লা বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোর সাথে তার কন্টাকের মাধ্যমে রোগী কে বুঝিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এম্বুলেন্স ড্রাইভার,
সিন্ডিকেটের সদস্যরা আরো ভয়ঙ্কর বিষয় হলো অহেতুক রোগীকে কুমিল্লা-ঢাকা রেফার করে গরীব ও অসহায় রোগীদের কে জিম্মি করে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতলে কনট্রাক এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে(৪) হারেজ নাইটগাট সরকারি হাসপাতালে যদিও কিন্তু সে অর্থোপেডিক সার্জন হিসাবে সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ২৪ ঘন্টা নিয়োজিত থাকে এবং একটু বেশি কাটাছেঁড়া হাত পা একটু ফেটে গেলে কনট্রাক এর মাধ্যমে সকল কার্যকলাপ ইমারজেন্সি তে করে যদি টাকা দিতে না পারে কোন গরিব মানুষ তাহলে কুমিল্লা-ঢাকা রেফারেল মাধ্যমে আবার বাণিজ্য করে আর ও দুঃখজনক বিষয়(৫) সোহাগ চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী যদিও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কিন্তু তার দাপট অনেক কারণ ডাক্তার হাবিবুর রহমান পিএস ও ঘনিষ্ঠজন তাই সরকারি হসপিটালের ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুরু করে ও বিভিন্ন মারামারি সার্টিফিকেট থেকে শুরু করে হসপিটালের প্রত্যেকটা সেক্টর তার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্বে আছে, কিন্তু আসল সরকারি স্টাফ তার সামনে কোনো কিছু বলার নেই এই (৫) জন মিলে ডাক্তার হাবিবুর রহমানের বাসায় সরকারি হাসপাতালে যে কোনো রোগী আসলে বাসায় গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিন্ডিকেট লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আপনি ভাবতেও পারবেন না এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সরকারি হসপিটালের জরুরী বিভাগ থেকে গরীব দুঃখী মানুষ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা ডাক্তার হাবিবুর রহমান ছত্রছায়ায় নবীনগর সরকারি হাসপাতালে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা লুটতরাজ ও অমানবিক নিস সংস ভাবে সাধারণ মানুষের পকেটের টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ কিছু বললে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা আপনাকে পুলিশে সোপর্দ করে দিবে কিছু করার নেই আপনার আমার তাই নবীনগরের গরীব দুঃখী মানুষের স্বার্থে মাননীয় এমপি মহোদয় জনাব এবাদুল করিম বুলবুল সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি নবীনগরের সকল সচেতন মহলের কাছে অনুরোধ করব, এই বিষয়টি নিয়ে কিছু করার জন্য কারণ এই পাঁচজনের জন্য নবীনগরের গরিব দুঃখী অসহায় মানুষগুলো জিম্মি হয়ে গেছে ও সরকারি হাসপাতালের সকল কর্মচারী তাদের হাতে জিম্মি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *